![]() |
| তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ | ছবি সংগৃহীত |
নিজস্ব প্রতিবেদক
ভারতের নয়াদিল্লিতে প্রেসক্লাব অব ইন্ডিয়ায় বঙ্গবন্ধু কর্নার উদ্বোধন, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, তথ্যমন্ত্রী, পররাষ্ট্রসচিব, সাংবাদিক, গবেষকসহ সবার সঙ্গে বৈঠকসহ ভারত সফর অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছেবলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।
আজ শুক্রবার রাজধানীর মিন্টো রোডে সরকারি বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী বলেন, প্রেসক্লাব অব ইন্ডিয়ায় বঙ্গবন্ধু মিডিয়া কর্নার উদ্বোধন দুই দেশের সম্পর্কে একটি মাইলফলক, স্থাপিত হয়েছে।
এস জয়শঙ্করের সঙ্গে করোনা পরিস্থিতি ও টিকা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিদেশি কাঁচামাল ঠিকমত না মেলায় টিকা উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার কথা জানান, যা বছরের শেষ দিকে অর্থাৎ অক্টোবর-ডিসেম্বরে তাঁরা সকল সমস্যা কাটিয়ে উঠবেন। আশা করি, ভারতে টিকা উৎপাদন জোরদার হলে তাঁরা বাংলাদেশে চুক্তির টিকা ঠিকমতো সরবরাহ করবেন । এ ছাড়া বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ নিয়েও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সচিবের সঙ্গে আলোচনার কথা জানান তথ্যমন্ত্রী।
অনুরাগ সিং ঠাকুরের সঙ্গে সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর বায়োপিকের অগ্রগতি, আমাদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মাণ চুক্তি অনুযায়ী কাজ শুরু এবং ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রীর ৫০ বছর ২০২১ সাল যৌথভাবে উদ্যাপনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সেই সঙ্গে ১ অক্টোবর থেকে বিদেশি টিভির ক্লিন ফিড নিয়ে আইন কড়াকড়িভাবে প্রয়োগের বিষয়টিও ভারতের তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীকে অবহিত করেছি।
তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ এ সময় দিল্লির প্রখ্যাত সাংবাদিকদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ, ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব ওয়ার্ল্ড অ্যাফেয়ার্স আয়োজিত অল ইন্ডিয়া রেডিওর প্রয়াত পরিচালক ইউ এল বড়ুয়া গ্রন্থিত বাংলাদেশ ওয়ার কমেন্ট্রি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন এবং দূরদর্শনে দেওয়া তাঁর সাক্ষাৎকারের কথা জানান এবং বলেন, এই সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশ ও মানুষের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।
এ সময় তিনাকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মন্তব্য (আওয়ামী লীগ নির্যাতনকারী দল) সম্পর্কে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন তার জবাবে তিনি বলেন , বিএনপির রাজনীতিই রক্ত, পোড়া লাশ ও মানুষকে নির্যাতনের ওপর দাঁড়িয়ে। ফখরুল সাহেব এমন দল করেন, যে দলের নেতা মানুষের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে ক্ষমতা দখল করেছিলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন, সেনাবাহিনীর হাজার হাজার জওয়ানকে হত্যা করে তাঁদের লাশের ওপর দাঁড়িয়ে দেশ পরিচালনা করেছেন।
আওয়ামী লীগের হাজার হাজার নেতা–কর্মীকেও সে সময় হত্যা করা হয়েছে। এরপর খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ফখরুল সাহেবরা যেভাবে মানুষের ওপর পেট্রলবোমা মেরে নিরপরাধ মানুষকে মেরেছেন, দিনের পর দিন অবরোধের নামে মানুষকে নির্যাতন করেছেন, তাতে তার মুখে এমন কথা মানায় না এটা হাস্যকর।

0 মন্তব্যসমূহ
if you have any doubts please let me know