Header Ads Widget

চন্দ্রিমা উদ্যানে বিএনপির উপর লাঠিচার্জ করলো পুলিশ

সর্বশেষ রাজনীতি, বাংলাদেশ, খেলা, বিনোদন, বিশ্বের বাংলা নিউজ আপডেট.সহ সকল ধরনের খবর পেতে, ভিজিট করুন cdbarta, চুয়াডাঙ্গার বার্তা
লাঠিচার্জ করছে পুলিশ | ছবি সংগৃহীত

 রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে বিএনপির নেতা–কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আজ মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন নেতা–কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে বিএনপি। ৮ থেকে ১০ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। সংঘর্ষের পরে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঘটনাস্থলে যান। এরপর তিনিসহ নেতা–কর্মীরা দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

বিএনপির নেতা–কর্মীরা বলছেন, পূর্বঘোষণা অনুযায়ী আজ ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির নবগঠিত কমিটির নেতা–কর্মীদের বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা জানানোর কর্মসূচি ছিল। তবে পুলিশ বলছে, সেখানে এ কর্মসূচি পালনের জন্য বিএনপি অনুমতি নেয়নি। 

সেখানে বিএনপির নেতা–কর্মীরা জড়ো হতে থাকেন।

বিএনপির কয়েকজন নেতা–কর্মী জানান, বেলা পৌনে ১১টার দিকে বিএনপির মহানগর উত্তরের কমিটির সদস্যসচিব ও জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার আমিনুল হকসহ কিছু নেতা–কর্মী উদ্যানে জড়ো হন। তখন পুলিশ তাঁদের ভেতরে যেতে বাধা দেয়। এ সময় আমিনুল হকের সঙ্গে পুলিশের তর্কাতর্কি হয়। 

একপর্যায়ে পুলিশ তাঁদের লাঠিপেটা করে। পরে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে। পুলিশ রাবার বুলেটও ছোড়ে বলেও অভিযোগ বিএনপির নেতা–কর্মীদের।

 রক্তাক্ত অবস্থায় বিএনপি নেতা | ছবি সংগৃহীত 

আমিনুল হকের মুঠোফোনে ফোন করলে কিবরিয়া নামের একজন ফোনটি ধরেন। তিনি জানান, আমিনুল হক রাবার বুলেটের আঘাতে আহত হয়েছেন। কিবরিয়া বলেন, আরও অনেক নেতা–কর্মী আহত হয়েছেন।

ঘটনার বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের শেরেবাংলা নগর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানে আলম মুন্সি প্রথম আলোকে বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিকই ছিল। আগেও তাঁরা এখানে এসে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন, কোনো সমস্যা হয়নি। কিন্তু আজ বিএনপি নেতা আমানউল্লাহ আমানের পক্ষের উচ্ছৃঙ্খল কয়েকজন এসে হট্টগোল শুরু করে পুলিশের ওপর চড়াও হন। এতে ৮ থেকে ১০ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।


এ বিষয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান প্রথম আলোকে বলেন, আজ পূর্বঘোষিত কর্মসূচি ছিল। সে জন্যই নেতা–কর্মীরা জিয়াউর রহমানের কবরে আসেন। 

তাঁরা সেখানে প্রবেশ করতে গেলে পুলিশ বাধা দেয়। নেতা–কর্মীদের বিপুল উপস্থিতি দেখে পুলিশ মারমুখী হয়ে যায়। বিনা কারণে কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। রাবার বুলেট মারে। রাবার বুলেটে আমিনুল হক আহত হয়েছেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ