![]() |
| জিএম কাদের | ছবি সংগৃহীত |
গণটিকা নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জি এম কাদের। তিনি বলেন, করোনা প্রতিরোধে গণটিকা কর্মসূচি আর হচ্ছে না— স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এমন ঘোষণায় সাধারণ মানুষের মধ্যে হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে।
আজ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জি এম কাদের এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, গণটিকা কর্মসূচিতে বিশৃঙ্খল পরিবেশ ছিল, কিন্তু লাখ লাখ সাধারণ মানুষ টিকা পেয়েছেন। তাই টিকা কর্মসূচিতে পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশে গণটিকা কর্মসূচি বন্ধ নয়, বরং গণটিকা কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে। বিভিন্ন উৎস থেকে টিকা আমদানিতেও সাফল্য দেখাতে হবে।
জাপার চেয়ারম্যান বলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন আগামী জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে ৮ কোটি মানুষকে টিকার আওতায় আনা হবে। এতে দরকার হবে ১৬ কোটি ডোজ টিকা। কিন্তু ২৩ আগস্ট পর্যন্ত ২ কোটি ৩৭ লাখ ৪ হাজার ৮৩৭ ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ডোজ নিয়েছেন ১ কোটি ৬৯ লাখ ৪৮ হাজার ৬২২ জন। দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন ৬৭ লাখ ৫৬ হাজার ২১৫ জন। ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রয়োজন হবে ১৩ কোটি ৬২ লাখ ৯৫ হাজার ১৬৩ ডোজ টিকা। অর্থাৎ প্রতি মাসে গড়ে অন্তত সোয়া দুই কোটি ডোজ টিকা প্রয়োগ করতে হবে। কিন্তু স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে এই বিপুলসংখ্যক টিকা কখন, কোথা থেকে আসবে এবং কীভাবে প্রয়োগ হবে, তার উল্লেখ নেই।
বিবৃতিতে জি এম কাদের বলেন, সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিত করে আবারও গণটিকা কর্মসূচি চালু করতে হবে। গণটিকা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে সারা পৃথিবী যখন জীবনযাত্রা স্বাভাবিক করে ফেলেছে, তখনো বাংলাদেশ টিকা প্রয়োগে বিশ্বে পিছিয়ে। দুঃখজনক সত্য হচ্ছে, এশিয়ার মধ্যেও করোনা টিকা প্রয়োগে বাংলাদেশ পিছিয়ে। তাই করোনা প্রতিরোধে গণটিকা কর্মসূচির বিকল্প নেই।

0 মন্তব্যসমূহ
if you have any doubts please let me know