![]() |
| প্রতীকী ছবি |
রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় একটি বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে বসে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল এক দল ডাকাত। বিদ্যালয়টি গোদাগাড়ী থানার একেবারে পাশেই। এ খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে সাতজনকে গ্রেপ্তার করেন র্যাব-৫–এর সদস্যরা।
রোববার দিবাগত রাত ১২টার দিকে এ অভিযান চালানো হয়। সোমবার তাঁদের নামে মামলা দিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। থানায় করা মামলার এজাহারে র্যাব ‘ডাকাতির প্রস্তুতির’ কথাই বলেছে।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়টির নাম আ ফ জি পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়। বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির কক্ষে বসে ডাকাতির ওই প্রস্তুতি চলছিল। যাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাঁরা সবাই তরুণ। মামলার এজাহারে তাঁদের ডাকাত বলা হয়েছে। তবে র্যাবের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাঁদের ‘কিশোর গ্যাং’-এর সদস্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযানে গ্রেপ্তার সাত তরুণ হলেন মো. সাগর (১৯), রুবেল হোসেন (২২), দিপু ঘোষ (১৯), আজিম উদ্দিন (২৪), মাসুদ রানা (২১), মো. জুয়েল (১৯) ও বকুল হোসেন (২১)। তাঁদের সবার বাড়ি গোদাগাড়ী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীমন্তপুর মহল্লায়।
র্যাব জানিয়েছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে স্কুলটির নবম শ্রেণির ফাঁকা কক্ষে কয়েক ব্যক্তি মাদকসহ অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছেন। এর ভিত্তিতে রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে সেখানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও সাতজন ধরা পড়েন। তাঁদের কাছ থেকে একটি বড় ছুরি, দুটি চাকু, তিনটি হাঁসুয়া, ৭টি মুঠোফোন ও ১১টি সিম কার্ড জব্দ করা হয়।
গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার সাতজনের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতির মামলা করেছে র্যাব। কোথায় ডাকাতি করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল, এমন কোনো তথ্য পাওয়া গেছে কি না, জানতে চাইলে ওসি বলেন, আপাতত র্যাবের এজাহারের বাইরে কিছু বলা যাচ্ছে না। তাঁরা এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় পাননি। তবে তিনি বলেন, সবার বয়স ১৮ বছরের বেশি, এ জন্য তাঁদের কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য বলা যাবে না। তাঁদের কাছে দেশি অস্ত্র পাওয়া গেছে। এ থেকে বলা যায়, তাঁরা হয়তো অপরাধ সংঘটনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

0 মন্তব্যসমূহ
if you have any doubts please let me know